স্বাস্থ্যকর হজমের জন্য সহায়ক বলে পরিচিত অনেক খাবারই না ভেবেই বাজারের ঝুড়িতে তুলে নিই। এর মধ্যে ওটস ও ডালিয়া দীর্ঘদিন ধরেই জনপ্রিয় দুইটি শস্য, বিশেষ করে যারা প্রাকৃতিকভাবে হজমশক্তি ভালো রাখতে চান। দুটিই পুষ্টিকর, আরামদায়ক এবং রান্না করা সহজ—এই কারণেই নাশতার টেবিলে এদের এত ঘন ঘন দেখা যায়। তবে পরিচিত হলেও, কোনটি আসলে অন্ত্রের জন্য বেশি উপকারী তা নিয়ে অনেকেই দ্বিধায় থাকেন। কারণ, উভয় শস্যই প্রায় একই ধরনের উপকারিতার জন্য প্রশংসিত। চলুন যেনে নেওয়া যাক, কোনটি বেশি উপকারী।
অন্ত্রের স্বাস্থ্যের জন্য ওটসের উপকারিতা
১. দ্রবণীয় আঁশে ভরপুর
ওটসে থাকে বিটা-গ্লুকান নামের এক ধরনের দ্রবণীয় ফাইবার, যা হজমতন্ত্রে পানি শোষণ করে জেলের মতো একটি স্তর তৈরি করে। এটি হজম প্রক্রিয়াকে ধীর ও মসৃণ করে এবং নিয়মিত মলত্যাগে সহায়তা করে। জার্নাল অব নিউট্রিশনে প্রকাশিত গবেষণায় দেখা গেছে, বিটা-গ্লুকান উপকারী অন্ত্রব্যাকটেরিয়ার বৃদ্ধিতেও সাহায্য করে।
২. হজম প্রক্রিয়াকে মসৃণ রাখে
নরম, জাউয়ের মতো গঠন হওয়ায় ওটস পেট ফাঁপা বা অস্বস্তিতে ভোগা ব্যক্তিদের জন্য আদর্শ। পুষ্টিবিদের মতে, ওটস সহজে হজম হয় এবং খুব কম ক্ষেত্রেই অন্ত্রে জ্বালা সৃষ্টি করে। বিশেষ করে সকালে খেলে এটি হজমতন্ত্রকে শান্ত রাখে।
৩. অন্ত্রের মাইক্রোবায়োম সুস্থ রাখে
ওটসের ফাইবার প্রিবায়োটিকের মতো কাজ করে, অর্থাৎ এটি অন্ত্রের ভালো ব্যাকটেরিয়াকে পুষ্টি জোগায়। সুস্থ মাইক্রোবায়োম ভালো হজম ও শক্তিশালী রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতার সঙ্গে জড়িত। নিয়মিত ওটস খেলে উপকারী জীবাণুর সংখ্যা বাড়তে পারে।
মন্তব্য করুন