জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রচারে প্রার্থী, ভোটার ও সমর্থকদের ‘রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীর আচরণ বিধিমালা’ মেনে চলতে হবে। অন্যথায় বিধিমালা লঙ্ঘনের দায়ে শাস্তি পেতে হবে। আচরণবিধি লঙ্ঘনের দায়ে প্রার্থিতা বাতিলের মতো ঘটনাও ঘটতে পারে। ইতোমধ্যে আচরণ বিধিমালা প্রতিপালন হচ্ছে কি না-তা দেখাশোনার জন্য নির্বাচনি মাঠে জুডিশিয়াল ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটরা দায়িত্ব পালন করছেন।
নির্বাচন কমিশনার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ বলেন, সবাইকে অনুরোধ জানাব আচরণ বিধিমালা মেনে চলার জন্য। অন্যথায় নির্বাচনি অনুসন্ধান ও বিচারিক কমিটি এবং মোবাইল কোর্ট ব্যবস্থা নেবে।
বিধিমালা অনুযায়ী, নির্বাচনি প্রচারে পোস্টার ব্যবহার করা যাবে না। তবে লিফলেট, হ্যান্ডবিল, ফেস্টুন ও ব্যানার ব্যবহার করা যাবে। ফেস্টুন ও ব্যানার হবে পচনশীল। অর্থাৎ কাপড় বা চট ব্যবহার করা যাবে। রেক্সিন, পলিথিন বা পিভিসির ব্যানার ব্যবহার করা যাবে না। লিফলেট আর ব্যানারে থাকতে পারবে না প্রার্থী ও দলীয় প্রধান ছাড়া অন্য কারও ছবি।
প্রচারণায় ব্যবহার করা যাবে না হেলিকপ্টার। তবে রাজনৈতিক দলের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক হলে শুধু তারাই হেলিকপ্টার ব্যবহার করতে পারবেন।
নির্বাচনি প্রচারে সব দল ও প্রার্থী সমান সুযোগ পাবে। প্রতিপক্ষের জনসভা, শোভাযাত্রা বা অন্যান্য প্রচারাভিযানে বাধা দেওয়া যাবে না। প্রচারে ড্রোন ব্যবহার করা যাবে না। একজন প্রার্থী তার সংসদীয় আসনে বিলবোর্ডে প্রচার চালাতে পারবেন। ইউনিয়ন পরিষদ, পৌরসভা ও সিটি করপোরেশনের প্রতিটি ওয়ার্ডে একটি করে বিলবোর্ড বসানো যাবে।
মন্তব্য করুন