আজাদী বার্তা ডেক্সঃ
টানা বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে সৃষ্ট বন্যায় লোহাগাড়ার প্লাবিত অঞ্চলের মানুষের মাঝে চলছে হাহাকার। ঘরে কোমরসমান পানি, উনুন জ্বলছে না বহু পরিবারে। এমন দুর্যোগপূর্ণ মুহূর্তে বন্যাকবলিত অসহায় ও জলবন্দি মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন লোহাগাড়া উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক ও পদুয়া ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য (মেম্বার) মো. শাব্বির আহমেদ।
লোহাগাড়ায় বন্যাদুর্গতদের পাশে যুবদল নেতা শাব্বির: পদুয়ায় ত্রাণ বিতরণ
লোহাগাড়া (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি:
টানা বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে সৃষ্ট বন্যায় লোহাগাড়ার প্লাবিত অঞ্চলের মানুষের মাঝে চলছে হাহাকার। ঘরে কোমরসমান পানি, উনুন জ্বলছে না বহু পরিবারে। এমন দুর্যোগপূর্ণ মুহূর্তে বন্যাকবলিত অসহায় ও জলবন্দি মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন লোহাগাড়া উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক ও পদুয়া ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য (মেম্বার) মো. শাব্বির আহমেদ।
শুক্রবার (১০ জুলাই) দিনব্যাপী তিনি পদুয়া ইউনিয়নের বন্যায় চরমভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হিন্দু বাড়িপাড়া, দরগামুড়া, উত্তর খন্দকারপাড়া, মাস্টারপাড়া ও রইরপাড়ার প্রত্যন্ত এলাকা ঘুরে অসহায় পরিবারগুলোর মাঝে খাদ্য ও নিত্যপ্রয়োজনীয় ত্রাণসামগ্রী বিতরণ করেন।
সরেজমিনে ত্রাণ বিতরণকালে যুবদল নেতা শাব্বির আহমেদ বন্যাকবলিত প্রতিটি ঘরে যান, দুর্গত মানুষের খোঁজখবর নেন এবং বুকফাটা আর্তনাদ ও দুর্ভোগের কথা শোনেন। অনেক অসহায় মানুষকে বুকে টেনে নিয়ে সান্ত্বনা দেন তিনি।
ত্রাণ বিতরণকালে আবেগঘন কণ্ঠে শাব্বির আহমেদ বলেন,
“বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের কষ্ট ও চোখের জল ভাষায় প্রকাশ করার মতো নয়। আকস্মিক এই দুর্যোগে মানুষ বড়ই অসহায়। রাজনৈতিক পরিচয়ের ঊর্ধ্বে উঠে মানবিক দায়িত্ববোধ থেকেই আমরা এই আর্তমানবতার সেবায় এগিয়ে এসেছি। সমাজের বিত্তবান, সামর্থ্যবান ও প্রবাসী ভাইদের প্রতি অনুরোধ—আপনারা যে যার অবস্থান থেকে এই অসহায় মানুষগুলোর পাশে দাঁড়ান। আমাদের এই ভালোবাসার উপহার ও সহযোগিতা যতদিন প্রয়োজন, ততদিন অব্যাহত থাকবে।”
ত্রাণ পেয়ে অশ্রুসিক্ত চোখে এক বানভাসি বৃদ্ধা বলেন, “ঘরে খাবার ছিল না, সন্তানরা না খেয়ে ছিল। এই বিপদের দিনে মেম্বার আমাদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন, আল্লাহ ওনার মঙ্গল করুক।”
ত্রাণ বিতরণ কার্যক্রমে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ, উপজেলা ও ইউনিয়ন যুবদল, ছাত্রদল এবং বিএনপির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীসহ স্থানীয় একঝাঁক স্বেচ্ছাসেবী তরুণ অক্লান্ত পরিশ্রম ও সহযোগিতা করেন। দুর্যোগ কাটিয়ে স্বাভাবিক পরিস্থিতি না ফেরা পর্যন্ত এই মানবিক সহায়তা কার্যক্রম প্রত্যন্ত এলাকায় পৌঁছে দেওয়া হবে বলে জানান আয়োজকরা।
শুক্রবার (১০ জুলাই) দিনব্যাপী তিনি পদুয়া ইউনিয়নের বন্যায় চরমভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হিন্দু বাড়িপাড়া, দরগামুড়া, উত্তর খন্দকারপাড়া, মাস্টারপাড়া ও রইরপাড়ার প্রত্যন্ত এলাকা ঘুরে অসহায় পরিবারগুলোর মাঝে খাদ্য ও নিত্যপ্রয়োজনীয় ত্রাণসামগ্রী বিতরণ করেন।
সরেজমিনে ত্রাণ বিতরণকালে যুবদল নেতা শাব্বির আহমেদ বন্যাকবলিত প্রতিটি ঘরে যান, দুর্গত মানুষের খোঁজখবর নেন এবং বুকফাটা আর্তনাদ ও দুর্ভোগের কথা শোনেন। অনেক অসহায় মানুষকে বুকে টেনে নিয়ে সান্ত্বনা দেন তিনি।
ত্রাণ বিতরণকালে আবেগঘন কণ্ঠে শাব্বির আহমেদ বলেন,
“বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের কষ্ট ও চোখের জল ভাষায় প্রকাশ করার মতো নয়। আকস্মিক এই দুর্যোগে মানুষ বড়ই অসহায়। রাজনৈতিক পরিচয়ের ঊর্ধ্বে উঠে মানবিক দায়িত্ববোধ থেকেই আমরা এই আর্তমানবতার সেবায় এগিয়ে এসেছি। সমাজের বিত্তবান, সামর্থ্যবান ও প্রবাসী ভাইদের প্রতি অনুরোধ—আপনারা যে যার অবস্থান থেকে এই অসহায় মানুষগুলোর পাশে দাঁড়ান। আমাদের এই ভালোবাসার উপহার ও সহযোগিতা যতদিন প্রয়োজন, ততদিন অব্যাহত থাকবে।”
ত্রাণ পেয়ে অশ্রুসিক্ত চোখে এক বানভাসি বৃদ্ধা বলেন, “ঘরে খাবার ছিল না, সন্তানরা না খেয়ে ছিল। এই বিপদের দিনে মেম্বার আমাদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন, আল্লাহ ওনার মঙ্গল করুক।”
ত্রাণ বিতরণ কার্যক্রমে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ, উপজেলা ও ইউনিয়ন যুবদল, ছাত্রদল এবং বিএনপির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীসহ স্থানীয় একঝাঁক স্বেচ্ছাসেবী তরুণ অক্লান্ত পরিশ্রম ও সহযোগিতা করেন। দুর্যোগ কাটিয়ে স্বাভাবিক পরিস্থিতি না ফেরা পর্যন্ত এই মানবিক সহায়তা কার্যক্রম প্রত্যন্ত এলাকায় পৌঁছে দেওয়া হবে বলে জানান আয়োজকরা।
মন্তব্য করুন