নিজস্ব প্রতিবেদক:
তৃণমূলের রাজনীতি থেকে উঠে আসা, রাজপথের লড়াকু সৈনিক লোহাগাড়া উপজেলা যুবদলের সাবেক সিনিয়র সহ-সভাপতি আবুল হাসেম আসন্ন ৩নং পদুয়া ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে ধানের শীষের দলীয় মনোনয়ন প্রত্যাশা করছেন।
দলের হাইকমান্ড তার দীর্ঘ রাজনৈতিক ক্যারিয়ার ও ত্যাগ বিবেচনা করে তাকে মনোনীত করলে তিনি নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন বলে দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন।
একান্ত সাক্ষাৎকারে প্রতিবেদককে তিনি বলেন, ”দলের সমর্থন পেলে নেতা-কর্মী ও সাধারণ মানুষের ভালোবাসার প্রতিফলন ঘটবে ইনশাআল্লাহ। আল্লাহর রহমত ও দলীয় নেতাকর্মীদের সহযোগিতা নিয়ে আমি পদুয়া ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে লড়তে প্রস্তুত।”
আবুল হাসেম লোহাগাড়া উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সাবেক সদস্য, পদুয়া ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব এবং পদুয়া ইউনিয়ন যুবদলের সাবেক সভাপতি হিসেবে অত্যন্ত দক্ষতার সাথে দায়িত্ব পালন করেছেন। তিনি আরও জানান, দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে তিনি কোনো পারিবারিক বা সামাজিক মামলায় জড়াননি। তবে জনগণের অধিকার ও গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে সক্রিয় থাকায় তাকে রাজনৈতিক প্রতিহিংসামূলক ৪টি মিথ্যা ও বানোয়াট মামলার আসামি করা হয়েছে।
তার রাজনৈতিক ত্যাগের কথা স্মরণ করে তিনি বলেন, ”চট্টগ্রামের কোতোয়ালি জেলা পরিষদ মার্কেট সংলগ্ন এলাকায় এক মিটিং পরবর্তী সময়ে আমি সহ ১৪ জন গ্রেফতার হয়েছিলাম। সেই মামলায় আমাদের সাথে আসামি ছিলেন বর্তমান চট্টগ্রাম-৯ আসনের এমপি আবু সুফিয়ান ভাই, পটিয়ার এমপি এনামুল হক ভাই এবং বাঁশখালীর মিশকাতুল ইসলাম পাপ্পা ভাই।”
দলের সিদ্ধান্তের প্রতি অবিচল আস্থা
দীর্ঘদিন ধরে সামাজিক ও রাজনৈতিকভাবে মানুষের পাশে থাকা আবুল হাসেম জানান, মানুষের সেবা করাই তার মূল লক্ষ্য। স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান পদে নির্বাচন করা তার দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক স্বপ্ন। তবে দলের শৃঙ্খলার প্রতি তিনি শতভাগ অনুগত।
দলের সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত: দল যদি তার ক্যারিয়ার বিবেচনা করে তাকে মনোনয়ন দেয়, তবে তিনি জয়ের ব্যাপারে আশাবাদী।
বিকল্প প্রার্থীর প্রতি সমর্থন: দল যদি তার চেয়েও যোগ্য মনে করে অন্য কাউকে মনোনয়ন দেয়, তবে দলের স্বার্থে নিজের সিদ্ধান্ত সোপর্দ করে মনোনীত প্রার্থীর পক্ষেই কাজ করবেন।
পরিশেষে, আবুল হাসেম পদুয়া ইউনিয়নবাসী ও দলীয় নেতাকর্মীদের কাছে দোয়া ও ভালোবাসা চেয়েছেন এবং সবার সুস্বাস্থ্য কামনা করেছেন।
মন্তব্য করুন